ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় (সহজ ৬ টি পদ্ধতি)

আপনারা কি জানেন একটা ফেজবুক পেজ ক্রিকেট করে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করা যায়? অনেকে হইতো জানেন টাকা ইনকাম করা যায় কিন্তু কিভাবে সেই বিষয়ে কারোর কোন ধারণা নেই। আজ আমি আপনাদের সাথে শেয়ার করবো ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় নিয়ে!

ফেসবুক ব্যবহার করে আয়ের বিভিন্ন উপায় রয়েছে। এর মধ্যে অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, মেসেঞ্জারে বিজ্ঞাপন প্রচার করা, এবং মার্কেটপ্লেসে পণ্য বিক্রি করা অন্যতম।

এই প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহারকারীদের ব্যবসা প্রসারের পাশাপাশি আয়ের সুযোগও প্রদান করে।

তবে সাম্প্রতিক সময়ে ফেসবুক থেকে আয় করা বেশ কঠিন হয়ে পড়েছে। বর্তমানে কোনো পেজের একটি সাধারণ পোস্টের গড় রিচ মোট অনুসারীর প্রায় ৫ শতাংশ, যা ২০১৮ সালে ছিল ৭ শতাংশ।

বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে যারা অর্থ ব্যয় করে রিচ বাড়াতে চায়, তাদের ক্ষেত্রেও সময়ের সঙ্গে সঙ্গে রিচ আরও কমে যাচ্ছে।

এদিকে, ইতিবাচক দিক হলো ফেসবুক নতুন কিছু উপায় চালু করেছে, যেগুলোর মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা আয় করতে পারে।

যদিও এই সুযোগগুলো মূলত উদ্যোক্তা এবং যাদের অনেক ফলোয়ার রয়েছে, তাদের জন্য।

যদি আপনার একটি বড় ফলোয়ারবেসসহ ফেসবুক পেজ থাকে এবং আপনি তা থেকে অতিরিক্ত আয় করতে চান বা আপনার ব্যবসার জন্য আরও গ্রাহক সংগ্রহ করতে চান, তাহলে ফেসবুকের মাধ্যমে আয় করার জন্য ৬টি কার্যকর উপায় রয়েছে।

পাশাপাশি, এসব উপায় ব্যবহার করতে হলে কিছু নির্দিষ্ট প্রয়োজনীয়তাও মেনে চলতে হবে।

এখন আমরা এই উপায়গুলো নিয়ে আলোচনা করব এবং কিভাবে সফলভাবে এগুলো বাস্তবায়ন করবেন, তা নিয়েও বিস্তারিত জানানো হবে।

how to earn money from facebook page

ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম করার ৬ উপায়

ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম করার উপায় নিয়ে নিচে আমরা ৬ উপায় শেয়ার করেছি, চলুন নিচে দেখে নিই ফেসবুকে অর্থ উপার্জনে বেছে নিতে পারেন ৬ উপায়

 ইন-স্ট্রিম অ্যাড

ভিডিওর মাঝে থাকা বিজ্ঞাপন বা ইন-স্ট্রিম বিজ্ঞাপনগুলো দর্শকদের মনোযোগ আকর্ষণে বেশ কার্যকর।

যখন একজন ব্যবহারকারী ফেসবুকে কোনো ভিডিও দেখতে থাকে, সেই সময় যদি ভিডিওর মাঝে একটি বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হয়, বিজ্ঞাপনটি দর্শকদের কাছে পৌঁছানোর সম্ভাবনা অনেক বেশি থাকে।

কারণ, দর্শক সাধারণত ভিডিওর বাকি অংশ দেখার আগ্রহ ধরে রাখে এবং বিজ্ঞাপনটি দেখার সুযোগ নেন।

এই ধরনের বিজ্ঞাপন ফিডে থাকা আলাদা বিজ্ঞাপনের তুলনায় বেশি কার্যকর, যেহেতু ব্যবহারকারীরা ফিডের বিজ্ঞাপনগুলো সহজে উপেক্ষা করে যেতে পারেন।

কীভাবে করবেন:

ইন-স্ট্রিম বিজ্ঞাপনের সফলতা নিশ্চিত করতে হলে ভিডিওটি এমনভাবে তৈরি করতে হবে, যেন তা আকর্ষণীয় গল্পের মতো মনে হয়।

দর্শকদের মনোযোগ ধরে রাখার জন্য এই ধরনের বিজ্ঞাপনগুলো অত্যন্ত কার্যকর, বিশেষ করে যদি আগ্রহী দর্শকদের সাথে প্রাসঙ্গিকভাবে সংযোগ স্থাপন করা যায়।

তবে, ফেসবুকের নিয়ম অনুযায়ী, ভিডিওগুলোর দৈর্ঘ্য অবশ্যই এক মিনিটের বেশি হতে হবে। ইন-স্ট্রিম বিজ্ঞাপন চালু করতে আপনার পেজে কমপক্ষে ১০ হাজার ফলোয়ার থাকা আবশ্যক।

এই শর্তগুলো পূরণ করলেই আপনি ফেসবুকের মনিটাইজেশন সুবিধা ব্যবহার করতে পারবেন।

আরও পড়ুন: ফেসবুক পেজ মনিটাইজেশন শর্ত

পেজে পেইড সাবস্ক্রিপশন যোগ

পেইড সাবস্ক্রিপশনের মাধ্যমে মাসিক আয় বৃদ্ধি করা সম্ভব। এই প্রক্রিয়ায় ফলোয়াররা অর্থপ্রদানের মাধ্যমে পেজে সাবস্ক্রিপশন নিয়ে এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট, ছাড়সহ নানা সুবিধা উপভোগ করতে পারেন।

ভেগান বেকার নামের একটি ব্র্যান্ড এই পদ্ধতি ব্যবহার করে সফলতা অর্জন করেছে।

তারা তাদের ফলোয়ারদের জন্য একটি বিশেষ ফেসবুক গ্রুপ তৈরি করেছে, যেখানে কেবল সাবস্ক্রাইবাররা প্রবেশ করতে পারেন।

এখানে এক্সক্লুসিভ কনটেন্ট এবং ছাড়ের সুবিধা পেতে ফলোয়ারদের প্রতি মাসে প্রায় ৫ ডলার প্রদান করতে হয়।

এছাড়া ফেসবুকের ‘স্টার’ ফিচারও আয়ের একটি উপায়। ফলোয়াররা স্টারের প্যাক কিনে তাদের পছন্দের নির্মাতাদেরকে টিপস হিসেবে স্টার পাঠাতে পারেন, যা নির্মাতাদের অতিরিক্ত আয়ের সুযোগ দেয়।

কীভাবে করবেন:

সাবস্ক্রিপশন সুবিধাটি বর্তমানে ফেসবুকে ইনভাইটেশন ফিচারের মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে।

ব্যবহারকারীরা ফ্যান সাবস্ক্রিপশন সক্রিয় করতে পারেন যখন তাদের পেজে ১০ হাজার ফলোয়ার থাকে, ২৫০ জনের বেশি নিয়মিত ভিউয়ার থাকে, ৫০ হাজার পোস্ট এনগেজমেন্ট ঘটে, অথবা ১ লাখ ৮০ হাজার মিনিটের ভিডিও দেখা হয়।

যখন ইনভাইটেশন ফিচারটি পাওয়া যায়, তখন সাবস্ক্রাইবাররা কোন সুবিধাগুলি পাবেন তা আপনি নির্ধারণ করতে পারবেন।

আরও পড়ুন: সরকার অনুমোদিত অনলাইন ইনকাম সাইট 

বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সঙ্গে কোলাবরেশন

আপনার পেজের রিচ বৃদ্ধির জন্য এবং কনটেন্টকে আরও বৈচিত্র্যময় করতে প্রাসঙ্গিক ব্যক্তিদের সঙ্গে কনটেন্ট তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ।

নতুন দর্শকদের কাছে পৌঁছাতে এবং ব্র্যান্ড সচেতনতা বাড়াতে অনেক নির্মাতা, কোম্পানি ও ব্র্যান্ড রয়েছে, যারা ভালো ফলোয়ার থাকা কারও সঙ্গে সহযোগিতা করতে চায়।

এভাবে, আপনি কৌশলগত অংশীদারিত্বের মাধ্যমে আপনার কনটেন্টের প্রভাব বাড়াতে পারবেন।

এ ক্ষেত্রে, আপনি তাদের সঙ্গে অর্থের বিনিময়ে কোলাবরেশন করতে পারেন বা একসঙ্গে কাজ করতে পারেন। এটি কেবল আপনার পেজের দর্শকদের সংখ্যা বৃদ্ধি করবে, বরং আপনার নিজের ফলোয়ার সংখ্যা বাড়াতেও সহায়তা করবে।

কীভাবে করবেন:

আপনার পোস্টে ব্যবসায়িক পার্টনারদের ট্যাগ করার আগে তাদের কাছে প্রথমে অ্যাক্সেসের জন্য অনুরোধ করতে হবে।

অনুমতি পাওয়ার পর, আপনি পেজের ব্র্যান্ড কোলাবরেশন ম্যানেজারের মাধ্যমে সহযোগিতার বিভিন্ন দিকগুলো পর্যবেক্ষণ করতে পারবেন।

আরও পড়ুন: ফেসবুক স্টার কিভাবে পাওয়া যায়

ফলোয়ারদের কাছ থেকে সরাসরি অর্থ উপার্জন

ফেসবুক সম্প্রতি জানিয়েছে যে, তারা তাদের প্ল্যাটফর্মের জন্য বিশেষভাবে তৈরি অর্গানিক ভিডিও কনটেন্টকে আরও বেশি গুরুত্ব দেবে।

এই সিদ্ধান্তের মূল লক্ষ্য হলো ব্যবহারকারীদের উৎসাহিত করা যাতে তারা শুধুমাত্র টিকটকের পোস্ট শেয়ার না করে, বরং ফেসবুকের জন্য নিজস্ব ভিডিও কনটেন্ট তৈরি করে।

ফেসবুকের কনটেন্ট ক্রিয়েটর এবং ইনফ্লুয়েন্সাররা এখন ধারাবাহিকভাবে কিছু ‘চ্যালেঞ্জ’ পূরণ করে মাসে সর্বাধিক ৪ হাজার মার্কিন ডলার পর্যন্ত উপার্জন করতে পারেন।

এই চ্যালেঞ্জগুলো নির্দিষ্ট সংখ্যক ভিউ অর্জনের লক্ষ্য নির্ধারণ করে, যা সম্পন্ন করলে অর্থনৈতিক পুরস্কার প্রদান করা হয়।

কীভাবে করবেন:

চ্যালেঞ্জ ফিচারটি বর্তমানে শুধু ইনভাইটেশনের মাধ্যমে পাওয়া যাচ্ছে। এই ক্ষেত্রে, ফেসবুক বর্তমানে যাদের ফলোয়ার সংখ্যা মিলিয়নের কাছাকাছি বা তার বেশি, তাদের লক্ষ্য করছে।

ইনভাইটেশন পেলে, প্রথম চ্যালেঞ্জটি অবশ্যই ৩০ দিনের মধ্যে সম্পূর্ণ করতে হবে। অন্যথায়, ফিচারটির মেয়াদ শেষ হয়ে যাবে।

আরও দেখুৃন: ইনস্টাগ্রাম থেকে টাকা আয় করার উপায়

অনলাইনে পেইড ইভেন্ট

আপনি আপনার ফেসবুক পেজে অর্থের বিনিময়ে ইভেন্ট পরিচালনা করতে পারেন। ফেসবুকের ইভেন্ট ফিচারের মাধ্যমে আপনি সহজেই আপনার পেজ ব্যবহার করে ইভেন্টের সময়সূচি তৈরি, সেটি সাজানো এবং পরিচালনা করতে পারবেন।

জ্যাসপার’স মার্কেট তাদের ফেসবুক বিজনেস পেজের মাধ্যমে বেশ কিছু ইভেন্ট হোস্ট করে এবং সেগুলোর বিজ্ঞাপন দেয়।

ভক্তরা সেখানে ইভেন্টের একটি তালিকা দেখতে পারে এবং ব্র্যান্ডের পেজ থেকে সরাসরি ইভেন্টের প্রবেশাধিকার কিনতে পারে। ইভেন্টটি অনলাইনে ফেসবুকেই অনুষ্ঠিত হয়।

কীভাবে করবেন:

আপনার ফেসবুক পেজে পেইড অনলাইন ইভেন্টের ফিচারটি চালু করুন। একটি নতুন ইভেন্ট তৈরি করতে ইভেন্ট ট্যাবে ক্লিক করুন এবং সেখানে ‘পেইড’ অপশনটি সিলেক্ট করুন।

এরপর আপনার ইভেন্ট, মূল্য এবং কোনো সহ-হোস্ট থাকলে তার সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করুন।

তবে, পেইড বা অর্থপ্রদানের ভিত্তিতে ইভেন্ট তৈরি করতে হলে, আপনার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট এবং পেজটি প্রথমে তাদের মনিটাইজেশন যোগ্যতার মানদণ্ডে উত্তীর্ণ হতে হবে।

ফলোয়ারদের আপনার অনলাইন স্টোরে নিয়ে যান

ফেসবুকের সোশ্যাল কমার্স ফিচারের মাধ্যমে আপনি আপনার ফেসবুক পেজ থেকে ক্রেতাদের সরাসরি আপনার অনলাইন স্টোরে নিয়ে যেতে পারেন।

যে সব ব্র্যান্ড ইতোমধ্যে ফেসবুকে একটি ছোট ব্যবসা পরিচালনা করছে, তাদের জন্য এটি একটি চমৎকার উপায়।

এই ফিচারের মাধ্যমে স্ক্রল করে বেড়ানো ব্যবহারকারীদের বিজ্ঞাপন দেখানো হয়, যা তাদের পণ্য কেনার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে সহায়ক।

কীভাবে করবেন:

আপনার ফেসবুক পেজের ক্যাটালগ ম্যানেজারে আপনার পণ্যের ক্যাটালগ যুক্ত করুন।

এরপর, যখন আপনি একটি ছবি বা ভিডিও পোস্ট করবেন, তখন প্রাসঙ্গিক পণ্যের সঙ্গে তা লিংক করে দিন। লাইভস্ট্রিম চলাকালীনও আপনি একটি পণ্য লিঙ্ক করতে পারবেন।

এছাড়াও, আপনার উপার্জনকে বৈচিত্র্যময় করুন। আপনি চাইলে ফেসবুকে একটি ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করতে পারেন, বিভিন্ন পরিষেবা বিক্রি করতে পারেন, অথবা ডিজিটাল পণ্য তৈরি করতে পারেন।

এসব সাফল্য অর্জনে ফেসবুকের বিশাল সংখ্যক ফলোয়ারকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করুন।

মনে রাখবেন, ফেসবুকের মাসিক সক্রিয় ব্যবহারকারীর সংখ্যা প্রায় ২৯০ কোটি, যেখানে ইনস্টাগ্রামের ১৩০ কোটি, টিকটকের ১০০ কোটি এবং টুইটারের ৩৯ কোটি ৬০ লাখ। অন্য প্ল্যাটফর্মগুলোর তুলনায় ফেসবুকের ব্যবহারকারীর সংখ্যা অবিশ্বাস্যভাবে বেশি। তাই, এই বিশাল সংখ্যক ব্যবহারকারীর এই প্ল্যাটফর্ম থেকে অর্থ উপার্জনের পদ্ধতি কঠিন হলেও অসম্ভব নয়।

ফেসবুক মনিটাইজেশন

আপনার ফেসবুক পেজ মনিটাইজেশনের যোগ্য কিনা তা যাচাই করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ফেসবুকে কনটেন্ট মনিটাইজ করতে হলে কিছু নির্দিষ্ট নীতিমালা মেনে চলতে হবে, যা প্রধানত তিনটি বিভাগে বিভক্ত:

  1. কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ড: ফেসবুকের মৌলিক নিয়মগুলোর একটি অংশ। এর মধ্যে আছে বিভৎস বা নিষিদ্ধ বিষয়বস্তু পোস্ট না করা। ফেসবুক চায় এর প্ল্যাটফর্ম সব ব্যবহারকারীর জন্য নিরাপদ থাকুক।
  2. পার্টনার মনিটাইজেশন পলিসি: এই নীতিমালা আপনার ফেসবুক পেজের সামগ্রিক কার্যক্রম এবং কীভাবে আপনি কনটেন্ট তৈরি ও শেয়ার করেন, তার জন্য প্রযোজ্য। এছাড়াও, অনলাইনে অর্থপ্রদান ও গ্রহণ সম্পর্কিত বিষয়গুলোও এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত।
  3. কনটেন্ট মনিটাইজেশন পলিসি: আপনার প্রতিটি কনটেন্টের জন্য বিশেষভাবে এই নীতিমালা প্রযোজ্য। উদাহরণস্বরূপ, হিংসাত্মক বা অনিরাপদ কনটেন্ট পোস্ট করা যাবে না।

আপনার ফেসবুক পেজ মনিটাইজেশনের উপযুক্ত কিনা তা যাচাই করতে, প্রথমে ক্রিয়েটর স্টুডিওতে যান। এরপর মনিটাইজেশন ট্যাবটি খুলে আপনার পেজটি নির্বাচন করুন।

এই পদ্ধতির মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন পেজটি মনিটাইজেশনের জন্য উপযুক্ত কিনা, পাশাপাশি অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্যও দেখতে পারবেন।

যদি একবার আপনি যোগ্য হন, তবে নিয়ম মেনে চলা এবং ফেসবুকের নীতিগুলো মেনে চলা অত্যন্ত জরুরি, যাতে আপনার আয় স্থিতিশীল থাকে এবং যোগ্যতা ধরে রাখা যায়।

মনিটাইজেশন চালু রাখতে হলে নিয়মিতভাবে ফেসবুকের কমিউনিটি স্ট্যান্ডার্ডগুলো পর্যালোচনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

আপনাকে নিশ্চিত করতে হবে যে আপনার ডোমেইন উচ্চমানের কনটেন্ট দিয়ে পরিষ্কার থাকছে এবং প্ল্যাটফর্মের সব নিয়ম মেনে কনটেন্ট পোস্ট করা হচ্ছে।

এর ফলে আপনি ফেসবুকে কনটেন্ট পোস্ট করার অধিকার বজায় রাখতে পারবেন।

যদি কোনো কারণে আপনার পেজ মনিটাইজেশনের জন্য অযোগ্য হয়ে যায়, ফেসবুক তা আপনাকে ক্রিয়েটর স্টুডিওর মনিটাইজেশন ট্যাবের মাধ্যমে জানিয়ে দেবে।

ফেসবুক সেই সঙ্গে আপনাকে জানাবে ঠিক কী কারণে আপনি আর যোগ্য নন, যাতে আপনি প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে পারেন।

ফেসবুক থেকে আয় করার উপায় নিয়ে আর প্রশ্ন ও উত্তর।

ফেসবুক ভিডিও থেকে কত টাকা আয় করা যায়?

ফেসবুক ভিডিও থেকে আয় নির্ভর করে ভিউ, এড রেভিনিউ এবং স্পনসরশিপের ওপর। সাধারণত, জনপ্রিয় ভিডিওগুলি বেশি আয় করতে পারে।

ফেসবুক থেকে কত টাকা আয় করা যায়?

ফেসবুকের মাধ্যমে আয়ের পরিমাণ বিভিন্ন উৎসের ওপর নির্ভর করে, যেমন অ্যাড রেভিনিউ, পেইড সাবস্ক্রিপশন, এবং ব্র্যান্ড ডিল।

ফেসবুক ভিডিও থেকে আয় করার উপায়?

ফেসবুকে ভিডিও আপলোড করে এবং এড ব্রেক, স্পনসরশিপ, এবং ভিউ সংখ্যার ভিত্তিতে আয় করা যায়। এছাড়া, ফেসবুক স্টার প্রোগ্রামও ব্যবহার করা যেতে পারে।

ফেসবুক স্টার থেকে ইনকাম কিভাবে করবেন?

ফেসবুক স্টার প্রোগ্রামে যোগ দিয়ে আপনার ভিডিওতে ভিউয়ারদের কাছ থেকে স্টার গ্রহণ করতে পারেন, যা আয় বাড়াতে সাহায্য করে।

কিভাবে ফেসবুকে প্রতিদিন 500 টাকা আয় করা যায়?

এটা সম্ভব যদি আপনি নিয়মিত কন্টেন্ট তৈরি করেন, যথাযথ মার্কেটিং করেন, এবং ভিউ সংখ্যা বাড়ান। এছাড়া, স্পনসরশিপ এবং এড রেভিনিউও কাজে লাগাতে পারেন।

10000 ভিউ এর জন্য ফেসবুক কত টাকা দেয়?

এটা নির্ভর করে ভিডিওর টাইপ, দর্শকদের অংশগ্রহণ, এবং এড রেভিনিউয়ের ওপর। সাধারণত, 10000 ভিউয়ের জন্য আয় 100 থেকে 300 টাকার মধ্যে হতে পারে।

উপসংহার

ফেসবুক পেজ থেকে টাকা ইনকাম করার অনেক উপায় রয়েছে, তবে সফলতার জন্য প্রয়োজন ধৈর্য, সৃজনশীলতা এবং সঠিক পরিকল্পনা।

ফেসবুক পেজের মাধ্যমে আয় বাড়ানোর জন্য কনটেন্টের মান উন্নয়ন, নিয়মিত পোস্ট করা, এবং ফলোয়ারদের সাথে ইন্টারঅ্যাকশন গুরুত্বপূর্ণ।

সঠিক কৌশল অবলম্বন করে এবং ফেসবুকের মনিটাইজেশন সুযোগগুলো ব্যবহার করে, আপনি আপনার পেজকে আয়ের উৎসে রূপান্তর করতে পারবেন।

আরও জানুন:

DISCLAIMER

এই ব্লগ পোস্ট আর্টিকেল এবং আমাদের স্যোসাল মিডিয়া একাউন্ট এর তথ্য সম্পূর্ন নিরাপদ, যাচাই করা, বিভিন্ন মাধ্যমে থেকে রিসার্স করে সবার উপকারের জন্য নেওয়া হয়েছে। আমরা বন্ধ পরিকর আপনাদের কে নির্ভুল নিতে, তারপর ও যদি আপনাদের কোন অভিযোগ ও কোন বেপার জানার থাকে আমাদের কে মেইল করুন [email protected] ধন্যবাদ।

WhatsApp চ্যানেল এ আমাদের কে ফলো করুন Follow Us
Telegram চ্যানেল এ আমাদের কে ফলো করুন Follow Us
 Facebook Page এ আমাদের কে ফলো করুন Follow Us 
Quora তে আমাদের কে ফলো করুন- Follow Us
Pinterest এ আমাদের কে ফলো করুন- Follow Us
Twitter এ আমাদের কে ফলো করুন Follow Us
Web Stories এ আমাদের কে ফলো করুন Follow Us
TikTok চ্যানেল ফলো করে রাখুন Follow Us

Author

  • Ruthy Musa

    আমি রুথি মুসা, Wikiofpro.com-এর একজন লেখক। আমি পাঠকদের তথ্য প্রদান এবং অনুপ্রাণিত করার জন্য সাধারণ বিষয়গুলি গভীরভাবে শেয়ার করি। আমার লক্ষ্য হল সঠিক তথ্য এবং ব্যাপক জ্ঞানের মাধ্যমে মানুষকে সচেতন করা, যাতে তারা আরও সাবলীল এবং সফলভাবে নিজেদের জীবন পরিচালনা করতে পারে।

    View all posts

Leave a Comment